মোট দেখেছে : 500
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

পটিয়ায় মসজিদে জামায়াত- শিবিরের কর্মসূচীর অভিযোগে ইমামের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ।

হোছাইন জুয়েল,

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:


চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা কোলাগাও ইউনিয়নে মুহাম্মদ নগর মীর কাশেম শাহ জামে মসজিদের ইমাম মৌলানা ওসমান গনি মসজিদে জামায়াত- শিবিরের রাজনীতির কর্মসূচী চালানোর

অভিযোগে এলাকার ১১২ জন মুসল্লি গণস্বাক্ষর করে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের  করেছেন, যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজমান। 

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পটিয়া জিরি ইউনিয়ন এক নাম্বার ওয়ার্ডের মোহাম্মদ নগর গ্রামের  মোহাম্মদ নগর মীর কাশেম শাহ জামে মসজিদের ইমাম ওসমানী গনি মসজিদের ভিতরে

স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন জামায়াত শিবিরের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করায় তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদ নগর এলাকার ১১২ জন গণস্বাক্ষর করে পটিয়া থানায় অভিযোগ করেছেন।অভিযোগে

এলাকার আরো ছয়জনকে ওসমান গনির পক্ষে অবস্থান নিয়ে গত ১ মে স্থানীয় হাজী আনু মিয়া ডিলারের পুএ  মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সওদাগর ওসমান গনিকে তার ঘরের সামনে জিজ্ঞেস

করেন হুজুর গত বছর মসজিদে সালাতুত তাসবী সালাত বন্ধ করে বিতর্ক সৃষ্টির মধ্যে আপনি এলাকায় জামায়াতের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করায় আমরা অনেকে মীর কাশেম শাহ জামে

মসজিদে নামাজ আদায় করার জন্য যেতে পারি নাই।এই কথা বলার সাথে সাথে ওসমান গনি জসিম সওদাগরের দিকে তেরে আসলে উভয় পক্ষের হাতাহাতি হয়, পরবর্তী জুমার নামাজ

আদায় করে ওসমান গনি তার দলীয় লোকজন নিয়ে জসিম এর বাড়িতে হামলা করলে জসিম মৌলনা ওসমান গনি, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ নুরুল আলম,মোহাম্মদ মনির, মোহাম্মদ

জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ মোহাম্মদ ফজুল হক সহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় লিখিত   অভিযোগ দায়ের করেন এবং ওসমান তার সাঙ্গ পাঙ্গদের নিয়ে জসিম উদ্দিন সওদাগরকে

জানে মেরে ফেলার হত্যার  হুমকি দিলে এলাকায় চরম

উত্তেজনা বিরাজ করছে যে কোন মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংঙ্কা করেছে স্থানীয়রা।  এর পরবর্তীতে জসিম এর পক্ষে এলাকার ১১২জন  লোকের গন স্বাক্ষর করে মৌলানা ওসমান গনিসহ

আরো ছয়জন কে বিবাদী করে অভিযোগ দায়ের করেন। যাহা তদন্তধীন রয়েছে বলে সুএে জানাগেছে। এছাড়াও ঘটনার ভিডিওসহ তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জমাদিয়েছে। এই ব্যাপারে

এলাকায় উত্তেজনা বিরাজমান। যে কোন সময় অপ্রতিকার ঘটনা ঘটতে পারে বলে জনমনে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল আউয়াল দিলা বলেন, মসজিদের হুজুর

বিভিন্ন নারী সংক্রান্ত ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে। এছাড়া স্বাধীনতা বিরোধী রাজনীতির কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত থাকায় ইতোমধ্য ধরা পড়েছে। এ নিয়ে এলাকার চরম উত্তেজনা চলছে। এ

ঘটনায় মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা হাজী আবু তালেবসহ তার পরিবারের সদস্যরা ইমাম সাহেবের অনৈতিক কর্মকান্ডে বিব্রত অবস্থায় পড়েছে।অভিযোগের বিষয়ে পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ

বোরহান উদ্দীন বলেন, মুসল্লিরা ইমাম সাহেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান। এদিকে সচেতন মহল মনে করেন মসজিদে জামায়াত এর

রাজনীতির কারণে সরকারের ভাবমুর্তি চরমক্ষুর্ন  হচ্ছে বিষয়টি সরকার বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত সাপেক্ষ ব্যাবস্তা নেওয়ার দাবি জানান। মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজি আবু তালেব

বলেন মসজিদের বর্তমান সভাপতি  মোহাম্মদ শওকত হোসেন মসজিদে পাথর বিক্রি করে চার লক্ষ টাকা চুরি করার প্রতিবাদ করলে শওকত হোসেন মসজিদের ভিতরে আমার উপর হামলা

করেছেন, মসজিদের জন্য নাছির উদ্দীনের দানকৃত ১৮ হাজার ব্রীক এক লক্ষ আশি হাজার টাকার মূল্যের ইট চুরি করে তার ফুফাতো ভাই শফি হাজীর নতুন বিল্ডিং এ লাগিয়েছে,

মসজিদের  রং  ও মাজারের ঘরের মেরামত করার কথা ব'লে প্রবাসীদের হতে কয়েক লক্ষ টাকার মতো নিয়ে শওকত ও শফি চুরি করে শিবির সমর্থিত ইমাম রেখে মসজিদে নামাজ এর

নামে শিবিরের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করায় এলাকার লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়ছে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হত পারে।মসজিদের ইমাম ওসমান গনি ফেনসিডিল ও ইয়াবা সেবন করে

সেই প্রণাম ও এলাবাসী জানেন, মসজিদের সভাপতির এক গুয়োমির কারণ বর্তমানে  আট দশ লোক নামাজ আদায় করে বাকি মুসল্লীরা মহল্লার অন্যান্য মসজিদে নামাজ আদায় করে।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ