মোট দেখেছে : 45
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

নিষেধাজ্ঞায় সাকিব: হতবাক গোটা ক্রিকেট দুনিয়া

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের পাশাপাশি ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। টাইগার অলরাউন্ডারের শাস্তির বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সামাজিক মাধ্যমে।

সাকিব আল হাসান কোনো সাধারণ মানের ক্রিকেটার নন। বিশ্বসেরাদের একজন, তাই ওর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সরগরম হবে সেটাই স্বাভাবিক। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও সাকিবকে নিয়ে আসছে নানা মত। 

সাকিবের স্ত্রী শিশির তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, কিংবদন্তিরা রাতারাতি তৈরি হয়ে যায় না। বরং একটু একটু করে গড়ে ওঠে। জীবনে উত্থান পতন আসবেই। তবে সেসব পেছনে ফেলে সাকিব ফিরে আসবে, সেটা এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। 

ভারতীয় ক্রীড়া সাংবাদিক বরিয়া মজুমদায় পুরোপুরি পক্ষ নিয়েছেন সাকিবের। তার মত, সাকিব যেহেতু ফিক্সিংয়ের সাথে জড়ায়নি, তাই শাস্তিটা আরো কমিয়ে দেয়াই যেত। পাকিস্তানি ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা মনে করেন, সাকিবের এই ঘটনা বাকিদের জন্য শিক্ষা, নিজেকে যেন কেউ গোটা ক্রিকেটের চেয়ে বড় মনে না করে।   

এ প্রসঙ্গে অবশ্য বেশ কড়া অবস্থান নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ধারাভাষ্যকার স্কট স্টাইরিশ। তার মত, সাকিব যে অপরাধ করেছে তার জন্য অন্তত দুই বছর তাকে খেলার বাইরে রাখা উচিত ছিল। 

সাবেক ক্রিকেটার মাইকেল ভন অবশ্য লিখেছেন আরেকটু বেশি তেতো কথা। তার মতে সাকিবকে কোনোভাবেই সমবেদনা জানানোর সুযোগ নেই। আইসিসির এই নিয়ম নিয়ে সব পর্যায়ের ক্রিকেটারদের ভালোভাবেই ব্রিফ করা হয়। তাই সাকিব যা করেছে সেটার জন্য দুই বছরের সাজা মোটেও যথেষ্ট নয়। 

প্রসঙ্গত, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করায় এবং আইসিসিকে তথ্য না জানানোয় দুই বছরের নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন সাকিব আল হাসান। তবে, সাকিব তার ভুল স্বীকার করায় দুই বছরের মধ্যে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা মওকুফ করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর ফলে, তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ২৯শে অক্টোবর। আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট-আকসু জানিয়েছে সাকিব আল হাসান যদি নতুন করে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত না হন তাহলে ২০২০ সালের ২৯শে অক্টোবর আবারও ক্রিকেটে ফিরবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ