মোট দেখেছে : 148
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

পাসপোর্ট বই সঙ্কটে চরম দুর্ভোগে চট্টগ্রামবাসী

সৃষ্টি ডেস্কঃ


চট্টগ্রামের নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা শত শত আবেদনকারী পাসপোর্ট বই সঙ্কটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন । মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত পাসপোর্ট। এতে বিদেশে ভিসার মেয়াদ পার হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নানামুখী জটিলতায় পড়তে হচ্ছে তাদের। তবে সক্ষমতার চেয়ে বেশি আবেদন এবং প্রবাসীদের অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে কিছুটা সঙ্কট সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানায় পাসপোর্ট অধিদপ্তর।

নগরীর মনসুরাবাদ বিভাগীয় পাসপোর্ট কার্যালয়ে ঢুকতে গেলেই কানে ভেসে আসবে পাসপোর্ট না পাওয়া আবেদনকারীদের নানা অভিযোগ। স্বাভাবিক নিয়মে জরুরি পাসপোর্ট আবেদনের ৭ কর্ম দিবসে এবং সাধারণ পাসপোর্ট ১৫ কর্ম দিবসে পাওয়ার কথা। কিন্তু গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট পাচ্ছেন না আবেদনকারীরা। অনেকের অপেক্ষার সময় ৪ মাস পেরিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে নানামুখী জটিলতায় পড়তে হচ্ছে তাদের।

তারা বলেন, আমি ভারত যেতে পারছি না। ৪ বার এসেও পাসপোর্ট মিলছে না আমার। শত শত মানুষ হয়রানি হচ্ছেন।

পরিসংখ্যানে জানা গেছে, চট্টগ্রামের মনসুরাবাদ বিভাগীয় কার্যালয়ে প্রতিদিন ৬শ’র বেশি এবং পাঁচলাইশ আঞ্চলিক কার্যালয়ে ৫শ’র বেশি পাসপোর্টের আবেদন জমা পড়ছে। গত আগস্ট মাস থেকে বিগত বছর গুলোর তুলনায় নতুন আবেদনের পাশাপাশি রিইস্যুর আবেদন বেড়েছে অন্তত ৩০ শতাংশ। চলতি বছরের শুরুতে তা আরো বেড়েছে। কিন্তু তার বিপরীতে দু’টি কার্যালয়ে প্রতিদিন পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে ৪শ’ থেকে ৫শ’।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাইদ বলেন, জরুরি কাজের জন্য নেয়া পাসপোর্ট আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দিয়ে দিচ্ছি।

পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন দেরি হওয়ার কারণ বলে অভিযোগ আবেদনকারীদের। অবশ্য পুলিশের দাবি, নির্ধারিত সময়েই ভেরিফিকেশন শেষ করে প্রতিবেদন দেয়া হচ্ছে।

সিএমপি উপ-কমিশনার আমির জাফর বলেন, কেউ প্রতিবেদন দিতে দেরি করলে আমরা তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে সঙ্কটের মুখে জরুরি চিকিৎসা, বিদেশে বৃত্তি এবং ছুটি কাটাতে আসা প্রবাসীদের পাসপোর্ট বিশেষ ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে বলে দাবি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ