মোট দেখেছে : 206
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

আসন্ন চসিক নির্বাচনে ফের আলোচনায় সাবেক মেয়র মঞ্জুর

সৃষ্টি ডেস্কঃ


 চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আলোচনায় আবারো বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র মঞ্জুর আলম । আওয়ামী লীগ থেকে তিনি এবার মেয়র পদে নির্বাচন করতে চান।

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইতোমধ্যে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়নপত্র নিয়েছে আটজন। বিএনপি প্রার্থী ঠিক করতে নানান হিসাব-নিকাশ কষছে।

এম মঞ্জুর আলমের ঘনিষ্ঠজনরা বলেন, তার আর বিএনপিতে ফেরার তেমন সম্ভাবনা নেই। আওয়ামী লীগের ডাকের অপেক্ষায় আছেন। আওয়ামী লীগ তাকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবেন।

 বিষয়ে মঞ্জুর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, এখন আওয়ামী লীগের ডাকের অপেক্ষায় আছি।‘ডাক পেলে ঢাকায় যাব। দল চাইতে হবে, না হলে ঢাকায় গিয়ে লাভ কী? এর বাইরে আমার কোনো সিদ্ধান্ত নেই,’ বলেন তিনি।

২০১৫ সালে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আ জ ম নাছির উদ্দীনের কাছে হেরেছিলেন সেই সময়কার বিএনপি নেতা মঞ্জুর আলম। সেবার ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। ভোটের দিন দুপুরে দল ভোট থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়ায় কিছুটা নাখোশ ছিলেন মঞ্জুর। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রদখল, ভোট কারচুপি যাই হোক মাটি কামড়ে ভোটের মাঠে পড়ে থাকতে। সেই ক্ষোভ থেকে বিএনপি এবং রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেন।

মহিউদ্দিন-শীষ্য মঞ্জুর আলম পরে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ তাকে মনোনয়ন দেয়নি।

তবে সিটিতে মঞ্জুর মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। তার কর্মী-সমর্থকরা মনে করেন মনজুর চট্টগ্রামের অন্যতম সফল মেয়র। তার ইতিবাচক ইমেজ রয়েছে। একজন সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সবার সঙ্গে তার সুসম্পর্ক। তাই আওয়ামী লীগদলীয় কোন্দল এড়াতে এবার তাকেই বেছে নেবে।

এদিকে চসিক নির্বাচনে নৌকার মেয়রপ্রার্থী হতে এরই মধ্যে আটজন ঢাকায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পাশাপাশি মেয়র প্রার্থী হতে চাইছেন আরেক হেভিওয়েট নেতা ও সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামও প্রার্থী হতে চান। এসব হেভিওয়েট নেতার ভিড়ে মনজুর আলম আওয়ামী লীগে ঠাঁই পাবেন কিনা, এটি নিয়েও স্থানীয় নেতাদের সংশয় রয়েছে।

এর আগে মঞ্জুর আলম তিন দফায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর (কমিশনার) ছিলেন। মহিউদ্দিন চৌধুরী মেয়র থাকাকালে বিভিন্ন সময় ভারপ্রাপ্ত মেয়রেরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০১৫ সালে সিটি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন মঞ্জুর। যদিও পরে আবার পুরনো দলে ফিরে সংসদ নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।

এ বিষয়ে মঞ্জুর বলেন, রাজনীতি করব না বলেছিলাম, সঙ্গে এটিও বলেছিলাম সমাজসেবা করে যাব। সেই কমিটমেন্ট আমি রেখেছি। এক মিনিটের জন্যও সমাজসেবা থেকে বিচ্যুত হইনি। এটিও একটি দায়িত্ব পালন। মানুষের প্রতি দায়িত্ব পালন আমি করে গেছি।

এবারও নির্বাচনে আগ্রহী হলেও দলের মনোনয়ন না পেলে সে পথেই হাঁটবেন না বলে জানান মনজুর। যেহেতু দলীয় মনোনয়নেই নির্বাচন হচ্ছে, তাই দলের মনোনয়ন না পেলে নির্বাচন করা সম্ভব নয়।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ