মোট দেখেছে : 154
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

পর্যটকশূন্য সৈকতে বিরল প্রজাতির ডলফিনের খেলা

বলরাম দাশ অনুপম 

কক্সবাজার প্রতিনিধি:



করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে বিশে^র দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরে এসেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। শনিবার সকালে পর্যটক শুন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে গিয়ে বিরল ডলফিন দলের খেলা দেখা গেছে। ১০ থেকে ১২টি ডলফিনের এই দলটি সকাল ৯টা থেকে সাগরের নীল জলে লাফিয়ে লাফিয়ে খেলা করছিলো। কলাতলি সমুদ্র সৈকতের একদম কাছেই ডলফিন গুলো খেলা করতে দেখা গেছে। সমুদ্র পাড় থেকে ডলফিনের খেলা করার দৃশ্য পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। স্থানিয়রা জানান-গত কয়েক দিন আগে কয়েকজন সার্ফার সমুদ্র সৈকতে সাফিং করতে গিয়ে ডলফিনের এই দলটি প্রথম দেখতে পান। এ সময় মাহাবুবুর রহমান নামের এক সার্ফার ডলফিনের দলটির খেলা করার দৃশ্য ভিডিও ধারন করে। যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিশেষ করে এরপর থেকে প্রতিদিন ডলফিনের দল কলাতলি সৈকতের নীল জলে এসে খেলা করতে দেখা যাচ্ছে। শনিবার সকালে কলাতলি পয়েন্ট কথা হয় দরিয়ানগর এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেমের সাথে। তিনি জানান-সকালে তিনি কলাতলি ও হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতে ডলফিনের একটি দল দেখতে পান। এই দলে বাচ্চাসহ ১০ থেকে ১২টি ডলফিন রয়েছে। ডলফিনের খেলা করার দৃশ্য প্রথম ধারণ করা স্থানীয় সার্ফার মাহবুবুর রহমান বলেন-অতীতে তিনি কক্সবাজার সৈকতে ডলফিন খেলা করতে দেখেননি। কিন্তু বর্তমানে সৈকতে দশণার্থীদের পদচারনা না থাকায় ডলফিন মনের আনন্দে নীল জলে খেলা করছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয়রা জানিয়েছে, গত ৩ দশকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে কখনো ডলফিন খেলা করতে দেখা যায়নি। গত এক সপ্তাহেরও বেশী সময় ধরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত খালি করে রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন। এর ফলে সৈকতের দূষণ একেবারেই কমে গেছে। সৈকতে দূষণ ও পর্যটক না থাকায় ডলফিন এসেছে বলে ধারণা করছে তারা।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ