মোট দেখেছে : 230
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় বাড়ি ছেড়ে দিলেন ন্যানসি

করোনায় আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশনে অথবা চিকিৎসকদের থাকার জন্য নিজের একটি বাড়ি দিতে চান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি।জেলাশহর নেত্রকোণার উপকণ্ঠে দেড় একর জমির উপর নির্মিত সাড়ে ৫ হাজার স্কয়ার ফিটের দুই তলা বাড়িটি মানবিক বিবেচনায় আইসোলেশনে অথবা চিকিৎসকের আবাসনের কাজে লাগাতে চান বলে জানান এ সংগীতশিল্পী।

ন্যানসি বলেন, “কয়েক বছর ধরেই ওই বাড়িতে আমরা কেউ থাকি না। এর মধ্যে নেত্রকোনায় করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় মানবিক দিক বিবেচনা করে জনস্বার্থে চিকিৎসা সেবায় কাজে লাগানোর জন্য বাড়িটি দিতে চাই।”ইতোমধ্যে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলামকে তার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন ন্যানসি।

তিনি বলেন, “করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন হলে বাড়িটি ব্যবহার করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসন থেকে উদ্যোগ নিলেই একদিনের মধ্যে বাড়িটি পরিস্কার করে বুঝিয়ে দিতে পারব।”কবে নাগাদ সেটি কাজে লাগানো হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো মন্তব্য করতে চাননি নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক।

ন্যানসির জন্ম নেত্রকোণায় হলেও প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি বাইরে থাকেন। বর্তমানে স্বামী-সংসার নিয়ে ময়মনসিংহে বাস করেন। নেত্রকোণার পৈতৃক ভিটায় একটি কমিউনিটি সেন্টার পরিচালনা করছিলেন তার ভাই। পরবর্তীকে দুই বছর আগে তার ভাইও ময়মনসিংহে চলে আসার পর বাড়িটি খালি পড়ে ছিল।

“করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের বাড়িতে অন্যদের থেকে আলাদা থাকতে বলা হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের একা থাকার মতো আলাদা ঘর নেই। আক্রান্তদের এই বাড়িতে আইসোলেশনে রাখা যেতে পারে অথবা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।”

কোভিড-১৯ চিকিৎসার প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনে বছরের পর বছর ধরে ব্যবহার করতে চাইলেও তিনি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন বলে জানান।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে আরও অনেক জেলার মতো ১৩ এপ্রিল থেকে নেত্রকোণা জেলাকে অবরুদ্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।মঙ্গলবার পর্যন্ত এ জেলায় ১৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ