মোট দেখেছে : 327
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

মাদক সম্রাজ্যের গডফাদার অনুপ বিশ্বাস অবশেষে দুদকের নজরে

  সৃষ্টি প্রতিবেদক: 


আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩৪ নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রার্থী অনুপ বিশ্বাস সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্বাচন কমিশনে দিতে গিয়ে পড়ে গেছেন গ্যাড়া কলে। হলফনামায় সম্পদের যে হিসাব দিয়েছেন তাতে নিজে ও স্ত্রী’র মাত্র ৫ তলা ৫ টি ভবন ও ৩০ লাখ টাকার মত সামান্য সম্পদের হিসাব দিতে গিয়ে পড়ে গেছেন দুদকের নজরে। দুদক কার্য্যালয়ে দায়েরকৃত পূরনো এক অভিযোগের সুত্র ধরে তার প্রকৃত সম্পদের খোঁজে নেমেছে দুদক। এই ব্যাপারে দুদক প্রধান কার্য্যালয়ের অনুমোদনের পর সম্প্রতি অনুপ বিশ্বাসকে চিঠি দিয়ে তার আয়কর নথির বিবরণী ও ব্যাংক জমার তথ্য জানতে চেয়েছে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২,চট্টগ্রাম। এই ব্যাপারে দুদক কার্যালয়-২,চট্টগ্রাম হতে অনুপ বিশ্বাসের নিকট নোটিশও প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় তার পেশা হিসেবে “অনুপ এন্ড ব্রাদার্স” নামীয় মৎস্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করলেও মূলতঃ তার অপর আরেকটি ব্যবসা “ফিসারীঘাট কান্ট্রি স্পিরিট শপ” ই হল তার প্রকৃত ব্যবসা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স নিয়ে ফিসারীঘাটের ইকবাল রোডের ৪ তলা ভবনকে মদের বার হিসেবে গড়ে তোলে অনুপ বিশ্বাস। কিন্ত,অধিদপ্তরের নীতিমালার প্রতি বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নিজের ইচ্ছেমত চোলাই মদ বিক্রির মাধ্যমে অবৈধ মাদকের সম্রাজ্য গড়ে তোলে বিপুল সম্পদের মালিক বনে যান অনুপ বিশ্বাস। তার মদের বারে একাধিকবার র‍্যাব,পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে হাজার লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও লাইসেন্স বিহীন একাধিক মাদকসেবী গ্রেফতার হলেও অনুপ বিশ্বাসের অবৈধ টাকার প্রভাবে কখনো তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ হয়নি। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ হলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তা চোখে পড়েনি। হাজার লিটার অবৈধ চোলাই মদ উদ্ধার হলেও তার উৎস নিয়ে কখনো জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন মনে করেনি। আর অবৈধ ব্যবসার বিশাল আয় দিয়ে অনুপ বিশ্বাস গড়ে তুলেছেন নামে-বেনামে হাজার কোটি টাকার সম্পদ। 



আরো দেখুন

আরও সংবাদ