মোট দেখেছে : 333
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

নিষিদ্ধ গাড়ি থেকে পটিয়া হাইওয়ে ওসির বিশুদ্ধ আয়

মোহাম্মদ হোছাইন জুয়েল 

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :


নিষিদ্ধ যানবাহন থেকে বিশুদ্ধ আয় করছে পটিয়া হাইওয়ে ফাঁড়ীর ওসি বিমল চন্দ্র ভৌমিক । মহাসড়কে অটোরিকশা, ট্রলি, ব্যাটারি চালিত রিকশা সহ তিন চাকার যানবাহনকে চলাচলের সুযোগ দিয়ে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। এছাড়া সড়কে বৈধ কোনো কাগজ পত্র ছাড়াই শুধু হাইওয়ে পুলিশের টোকেন নিয়ে মালবাহী ও যাত্রীবাহী, পিকআপ, ট্রাক নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও লাইসেন্স বিহীন চালকরা। লক্কড় ঝক্কড় মার্কা এসব যানবাহন নিয়ে যত্রতত্র চলে যাত্রী ও মালামাল উঠানামা ফলে দূর্ঘটনার পাশাপাশি সড়কে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট । এদিকে শান্তির হাট বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, হাইওয়ে পুলিশের সামনে চলাচল করছেন, তিন চাকা অটোরিকশা, কিন্তু কোন গাড়ি আটক করা হয়না। অটোরিকশা চালক আব্দুল খালেক জানান, শান্তির হাট বাজার থেকে তারা প্রতিমাসে টাকা বিনিময়ে চলাচলের সুযোগ দিয়ে থাকেন, কিন্ত তার থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে মানসা বাদামতল গিয়ে হাইওয়ে ফাঁড়ীর আওতার বাহিরে সুগন্ধ কমিনিউটি সেন্টারের সামনে থেকে গাড়ি আটক করা হয় ।

সংশ্লিষ্টরা জানান মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার যানবাহন দূঘটনা সড়ক পথে মাদক পাচার ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ যান চলাচলের প্রতি বন্ধকতা দূরীকরণ সড়কে আপরাধ প্রতিরোধ এবং সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করণ হাইওয়ে পুলিশের মূল কাজ । কিন্তু পটিয়া হাইওয়ে পুলিশের কাজ বাদ দিয়ে নানা ফাঁদ পেতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ে বেশি ব্যস্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। শান্তি বাজার এলাকার এক অটোরিকশা চালক বলেন,সরকার মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল নিষিদ্ধ করার পর আমরা ও কিছু দিন বন্ধ রেখেছিলাম, কিন্তু এখন হাইওয়ে পুলিশকে মাসিক হারে টাকা দিয়ে চালাচ্ছি, প্রতি মাসে চাহিদা মতো টাকা দিলে মহাসড়কে চলাচল করতে কোনো সমস্যা হয় না। সড়ক দিয়ে মাঝে মধ্যে মন্ত্রী এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা গেলে হাইওয়ে পুলিশ আমাদেরকে আগাম সতর্ক করে দেয়, তখন মহাসড়কে গাড়ি চলাচল সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখি।পটিয়া মানসা বাদামতল এলাকার মিনি বাস মালিক নুরুল কবির ও মহিউদ্দিন বলেন হাইওয়ে পুলিশের চাঁদা বাজিতে আমরা অতিষ্ঠ গাড়ি কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্বেও মাসিক টোকেন নিতে হয়। টোকেন না নিলে অহেতুক হয়রানি করে, তাঁরা জানান, পটিয়া মনসা বাদামতল দাঁড়িয়ে গাড়ির কাগজপত্র চেক করার নামে বিশুদ্ধ আয় করা হাইওয়ে পুলিশের নিত্য কাজে পরিণত হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ট্রাক চালক জানান গাড়ির কাগজপত্র ঠিক থাকলে টোকেনের দাম দেড় হাজার টাকা, আর না থাকলে দুই হাজার টাকা। এইদিকে অটোরিকশা চালক জমির উদ্দীন বলেন, ফজল করিম নামের এক লোকের একটি রেকার সব সময় ফাঁড়ী সামনে থাকে, ছোটখাটো কোন সমস্যা হলে পুলিশ রেকার দিয়ে ফাঁড়ীতেতে  নিয়ে যান, তখন গাড়ি ছাড়িয়ে আনতে গেলে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়, আর রেকার ভাড়ার অধেক টাকা পায় ওসি বিমল চন্দ্র ভৌমিক।মহাসড়ক থেকে অটোরিকশা গুলো আটক করলে চালক ও মালিকদেরকে গুনতে হয় ১০ হতে ১৫ হাজার টাকা।

আরো দেখুন

আরও সংবাদ