মোট দেখেছে : 2,352
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

আনোয়ারা সংখ্যালগুর জমি দখল করে ব্রীজ ও মসজিদ নির্মাণ !

নিজস্ব প্রতিনিধি:


চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ৯নং ইউনিয়নের বাথুয়াপাড়া গ্রামে দৈনিক সমকাল পত্রিকার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুজিত কুমার দাশ এর পৈতৃক ভিটা জমিন দখল করে

মসজিদ ও ব্রীজ নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী  সুজিত কুমার দাশ বলেন, ব্রিজ নির্মান করাতে ব্রীজের পূর্ব পাশে ক্রয়কৃত ভিটা ও পশ্চিম পাশে আমার বাবা মায়ের,দুই কাকা কাকিমার, আর ঠাকুর দাদার তৎকালীন

সময়ে ব্রিটিশ আমলের নির্মিত পাকা মন্দির রক্ষিত আছে বর্তমান অবধি।তার উত্তর পাশে পূর্বের গ্রাম্য ভাষায় খইয়া(খাই)'র অবস্থান ব্যতিরেকে পশ্চিম, দক্ষিন, পূর্বে দৈর্ঘ্য ৩৬' প্রস্থ ব্রীজ

নির্মান করায় আমার পশ্চিম পাশে পৈতৃক শ্মশান, বার গন্ডা ধানি জমিন, পূর্বে ক্রয়কৃত ভিটাসহ প্রায় ছয় থেকে সাত কানি জায়গা ধ্বংস হয়ে যাবে। আর দক্ষিণ পাশে নির্মিত মসজিদের পুরো

জায়গা জুড়ে আমার পৈতৃক দখলীকৃত পুকুরের পূর্ব পাশে পারে প্রথমে সীমানার উত্তর- দক্ষিন টিনের চালা দিয়ে মসজিদ নির্মান করেছিলেন।

বর্তমান উক্ত নির্মিত স্থান বাদদিয়ে পূর্ব পশ্চিম লম্বা বিশাল আকারে মসজিদ নির্মান করার ফলে পূর্বে বাবার কাকা কাকিমার শ্মশান ও পুকুরের ভেতরে মসজিদের পিলার জমানো দ্বারা

মসজিদ পূর্ব পশ্চিম স্থানে আমার পৈতৃক দখলীকৃত পুরো জায়গায় ধর্মীয় মসজিদ নির্মান করা হয়েছে।

আমি কর্মস্থলের কারণে শহরে বসবাস করি। এই সুযোগে উক্ত এলেকায় বসবাসকারী কথিত আব্দুল বায়েস প্রকাশ হাঁস মৌলভির সহযোগীতায় আবদুল মালেক সওদাগর, আবদুল গফুর,

আবদুল আলিম, ছেলে আবদুল কাইয়ুম, মোঃ জিসান, মোঃ ইয়াছিন প্রকাশ বাবু, মোঃ সাইফুল ইসলাম, পিতা মোঃ নাজিম ঘরজামাই সাবেক ভিংরোল ও আব্দুল বায়েস প্রকাশ হাঁস মৌলবির

ছেলে মোঃ জিয়া, মোঃ আরিফ, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ হাবিব উল্লাহ, মোঃ আতিকুল্লাহর প্রতক্ষ্যমদদে আমার পূর্ব পুরুষদের পৈতৃক চিতা শ্বশানের জায়গা দখল করে মসজিদ নির্মান

করে। অন্যদিকে শ্বশ্মান দখল করে ও বিভিন্ন ফলজ গাছ কেটে নির্মান করা হচ্ছে ব্রিজ।

বর্তমান পুকুর দখল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জনাব মামুনুর রশিদ আশরাফকে জনিয়েও কোন সুবিচার পায়নি বলে জানান সুজিত কুমার দাশ।

এমবস্তায় পৈতৃক ভিটা ভূমিদস্যুদের থেকে রক্ষার জন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,ভূমিমন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের নিকট সুদৃষ্টি কামনা করেন সাংবাদিক সুজিত কুমার দাশ ।

এই বিষয়ে আনোয়ার থানার ওসি বলেন আমরা এমন কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই আইনগত ব্যবস্তা নিবো ।


আরো দেখুন

আরও সংবাদ