মোট দেখেছে : 145
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে দোকান সরিয়ে নিতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম নগরীর বিপ্লব উদ্যানে সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্পের চুক্তির শর্ত ভেঙে নির্মিত স্থায়ী বসার আসন অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় তলার দোকানগুলো সরিয়ে নিতে সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।সোমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (সিসিসি) স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। 

অভিযানে উপস্থিত সিসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল বলেন, চুক্তিতে এক সারি বসার আসন নির্মাণের কথা ছিল। সেটা না করে দুই সারি আসন নির্মাণ করা হয়। এতে চলাচলের পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে।

এর মধ্যে এক সারি স্থায়ী আসন আজ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় তলার দোকানগুলো ভাঙতে সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। চুক্তিতে বিপ্লব উদ্যানে মোট ২৫টি দোকানের উল্লেখ ছিল। এখন দ্বিতীয় তলায়সহ মোট দোকান ৪০টি।”চুক্তির শর্ত ভেঙে বড় আকারের দোকান ও দ্বিতল অবকাঠামো নির্মাণ করায় ২৫ অগাস্ট বিপ্লব উদ্যানের দোকানগুলো বন্ধের নির্দেশ দেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

সেই থেকে ওই উদ্যানের দোকানগুলো এখনও বন্ধ রয়েছে।

সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের মেয়াদে ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর বিপ্লব উদ্যানের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য রি ফর্ম লিমিটেড ও স্টাইল লিভিং আর্কিটেক্টস লিমিটেড নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়।বিপ্লব উদ্যান ও এর চারপাশের ফুটপাতসহ আনুমানিক এক একর জমি এই প্রতিষ্ঠান দুটিকে বরাদ্দ দেওয়া হয় ২০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তিতে।যেহেতু রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্বাহ করবে তাই সিটি করপোরেশনকে বছরে মাত্র এক লাখ টাকা কর বাবদ দেবে। এছাড়া ডিজিটাল স্ক্রিনগুলোর জন্য সরকার নির্ধারিত হারে কর দেবে।

প্রতিষ্ঠান দুটি উদ্যানটি সংস্কার করে একপাশে দোতলা বিপণিবিতান নির্মাণ করে। পরে বিপণিবিতানের দোকানগুলো মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে।

সিসিসি জানায়, দ্বিতল কোনো অবকাঠামো করার বিষয় চুক্তিতে ছিল না।চুক্তি অনুসারে, উদ্যানের পূর্ব পাশে প্রতিটি ১৫০ বর্গফুটের মোট ২৫টি দোকান নির্মাণ করা যাবে। তবে প্রতিটি দোকান করা হয় ২০০ বর্গফুটের।



আরো দেখুন

আরও সংবাদ