মোট দেখেছে : 297
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

নিজ দলের ঐক্য ধরে রাখার চেষ্টা করতে ফখরুলকে পরামর্শ তথ্যমন্ত্রীর

নিজ দলের ঐক্য ধরে রাখার চেষ্টা করতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পরামর্শ দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “বৃহত্তর ঐক্য তারা (বিএনপি) গত নির্বাচনের আগেও করেছিল। ডান, বাম, অতি বাম, অতি ডান, প্রতিক্রিয়াশীল এবং ধর্মান্ধ গোষ্ঠি সবাইকে এক করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা চেষ্টা করেছিল, সরকারের বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে।

“দেখা গেল যে, সেই ঐক্য কাচের গ্লাসের মতে ভেঙে গেছে। যেই দলগুলো একত্রিত হয়েছিল সেই দলগুলোর আভ্যন্তরীণ ঐক্যই নেই এবং বিএনপির ভেতরেই ঐক্য নেই।”

হাছান  মাহমুদ বলেন, “আমি মির্জা ফখরুল সাহেবকে অনুরোধ জানাব, অতীতেও তারা বৃহত্তর আন্দোলন করেছেন কিন্তু তাতে তারা ফল পাননি বরং নিজের দলের ঐক্যটাকে ধরে রাখার চেষ্টা করাই শ্রেয়।

“কারণ তাদের দলের মধ্যে নেতারা যেভাবে বক্তব্য রাখছেন, গত কিছুদিন ধরে যেভাবে একে-অপরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করছেন এবং সামনের সারিতে বসা নিয়ে যেভাবে তারা মারামারি করেছেন রাজশাহীসহ বিভিন্ন জায়গায়, এতে তাদের দলের যে অনৈক্য সেটি বেরিয়ে এসেছে। প্রথমে দলের ঐক্য স্থাপন করা অ্যতন্ত জরুরি।”পৌরসভা নির্বাচনে ব্যর্থতা ও নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে ১০ জানুয়ারির মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়েছিল বিএনপি। পরে ‘অনিবার্য কারণে’ সেই কর্মসূচি একদিন পিছিয়ে ১১ জানুয়ারি করেছে দলটি।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস অর্থাৎ ১০ জানুয়ারিতে বিএনপি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জানিয়ে এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চান একজন সাংবাদিক।

জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, “১০ জানুয়ারিতে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা মানে তারা যে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস আদৌ কতটুকু করে সেটি নিয়ে যে জনগণের প্রশ্ন আছে, সেই প্রশ্নের উত্তর তারা দিচ্ছেন না, তারা অন্যদিন বিক্ষোভ কর্মসূচি করতে পারত।জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করায় তার কঠোর সমালোচনা করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

“এই বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে, আমাদের স্বাধীনতা ১০ জানুয়ারি প্রকৃতপক্ষে পূর্ণতা পেয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে না আসা পর্যন্ত আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়নি। যেদিন আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছে, সেদিন বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা মানেই প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে তারা যে বিশ্বাস করে না সেটিরই বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।”


আরো দেখুন

আরও সংবাদ